নিজেকে ক্যারিয়ার ও ব্যাক্তিগত জীবনে পাওয়ারফুল বানাবেন যেভাবে
১. নিজের মনকে নিয়ন্ত্রণ করুন।
আপনার চিন্তায় আপনার ভবিষ্যৎ ঠিক করে।তাকে এমনভাবে ট্রেইন করুন যেন, নিজের উপকার টা বুঝে চলতে পারে। যা চাইবে সেটাই প্রশ্রয় দেয়া বন্ধ করুন।
২. নিজের সময়কে নিয়ন্ত্রণ করুন।
সময় এমন একটা জিনিস,একবার চলে গেলে আর ফেরত পাওয়া যায়না।তাই সময় নিজে স্টেবল করুন আর নিজের কাজ বুঝে সময়কে ভাগ করুন।
৩. সব জায়গায় হ্যাঁ বলার অভ্যাস বাদ দিন।
অনুরোধে ঢেঁকি গেলা কিংবা যে কেউ যা চাইবে সেটাই করতে চাওয়া বোকামি।সব জায়গায় হ্যাঁ বলে নিজের ক্ষতি টানবেন না।
৪. নিজের ইমোশনকে কন্ট্রোল করুন।
এটাই আসল খেলা। এখানে যার কন্ট্রোল যত বেশি তার ইফিসিয়েন্সি তত বেশি।
৫. সবার কাছে এভেইলাবল হওয়াটা বাদ দিন।
বন্ধু কলে কথা বলতে চেয়েছে?
সময় দিন।
প্রফেশনাল সার্ভিস চাইছে?
প্রফেশনালি হ্যান্ডেল করুন।
প্রফেশনাল আর পার্সোনাল ব্যাপার টা আলাদা করেন।
৬. নিজের শরীরের নিয়ন্ত্রণ নিন।
নিজের শরীরের নিয়ন্ত্রণ নিজেকেই করতে হবে।কখন ঘুমাবেন,কখন কাজ করবেন,কখন রেস্ট করবেন এই সিধান্ত একান্তই আপনি গ্রহণ করুন।
৭. নিজের অভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করুন।
আপনার অভ্যাস আপনার ভবিষ্যৎ কেমন হবে সেটা ডিফাইন করে।সারাদিন রিলস দেখে অনুপ্রেরণা খুঁজে,বিছানায় পড়ে পড়ে ঘুমালে এমনই হবে লাইফ।
৮. নিজের ফোকাস নিয়ন্ত্রণ করুন
৯. নিজের একটা স্ট্যান্ডার্ড ঠিক করুন।
একটা সময়ে আমি ফ্রীতেই সবার সাথে কথা বলতাম,সবার উপকার করতাম,সবার সমস্যা সমাধান করতাম।
দেখলাম কেউ আর মুল্য দিচ্ছেনা,আর তখনই আমি আসলে নিজের সময়ের মুল্য নিজেই নির্ধারণ করে কাজে নেমে গেলাম।
১০. নিজের ইনার সার্কেল কে মেইনটেইন করতে শিখুন।
এমন মানুষের সানিধ্যে থাকুন,যারা আপনাকে ভালো করতে উৎসাহ দেয়।আপনাকে চ্যালেঞ্জ জানাবে ও অনুপ্রেরণা দিয়ে যাবে।
আবার প্রয়োজনে ভুল ধরে শুধরে দিবে
১১. জীবনের উদ্দেশ্য আগে ফিক্স করুন।
কি করছেন,কেন করছেন,কার জন্য করছেন, এসব ঠিক না থাকলে সেটা পালহীন নৌকার মতই লাগবে।
১২. নিজেকেই নিজের মাস্টার বানান।
জীবন আপনাকে চালাবেনা,আপনাকেই জীবন চালাতে হবে।মন আপনাকে যেন না চালাই,আপনি নিজেই মনকে চালান।
এমন পাওয়ারফুল হতে হবে নিজেকে।